খোলামেলা সোহানা সাবা তার সকল ব্যস্ততা

খোলামেলা সোহানা সাবা তার সকল ব্যস্ততা

বতর্মানে অভিনয় নিয়েই তার সকল ব্যস্ততা। ক্যারিয়ারের খুব চমৎকার সময় পার করছেন অভিনয়শিল্পী সোহানা সাবা।

‘বৃহন্নলা’ ছবিটি মুক্তির পর অভিনয়ের জন্য বেশ প্রশংসিত হন সাবা। ছবিটি দেশের বাইরে বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ

নিয়ে সম্মান বয়ে আনে। ছবির প্রধান চরিত্রের অভিনয়শিল্পী হিসেবে তিনিও সম্মান অজর্ন করেন। সবের্শষ ভারতের ‘গোলাপি

শহর’ নামে পরিচিত জয়পুরে সপ্তম জয়পুর আন্তজাির্তক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বৃহন্নলা’ ছবির জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার অজর্ন

করেন সাবা। নতুন বছরে সাবা ব্যস্ত আছেন হাতে গোনা দুই-তিনটি ধারাবাহিক নাটকে। খোলামেলা সোহানা সাবা তার সকল

ব্যস্ততা।

এর মধ্যে শুটিং শুরু করছেন রাজু খানের পরিচালনায় ‘মধ্যবতর্নী’ নাটকের।

গত ঈদে তার অভিনীত আলভী আহমেদের খায়রুজ্জামান বাবুর বিয়েঘটিত ইচ্ছেগুলো, আয়নাবাজি সিরিজের নাটক রবিউল

আলম রবির ‘মুখোমুখি’ নাটকগুলো প্রশংসা পায়। এ ছাড়াও তার অভিনীত দীপ্ত টিভির ধারাবাহিক ‘খেলাঘর’ নাটকটি বেশ

আলোচনায় আসে। ইতিমধ্যে রেডিও টুডেতে নতুন একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তিনি। যা হতাশাগ্রস্ত মানুষদের জন্য।

মানুষ হতাশ হলে নানা রকম অপরাধে জড়ায় বলে মনে করেন সোহানা সাবা। এ জন্যই প্রতি সপ্তাহের কোনো একটি দিন তাদের

জন্য বের করবেন তিনি। নানা পরামশর্ দিয়ে থাকেন তাদের। তার এই উদ্যোগের নামকরণ করেছেন ‘সাবা’স কনফেশন বক্স।

এখন পযর্ন্ত এপার-ওপার দুই বাংলার যত চলচ্চিত্রে সাবা অভিনয় করেছেন, তার কোনোটিই বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র ছিল না।

খোলামেলা সোহানা সাবা তার সকল ব্যস্ততা।

এবার প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। সম্প্রতি পুরান ঢাকায় টানা শুটিং শেষ করেছেন সাইফ চন্দনের ‘আব্বাস ওটু’ নামের এই নতুন সিনেমার।

তার বিপরীতে কাজ করছেন মডেল ও চিত্রনায়ক নিরব। ছবির শুটিং শেষ হলেও এখন শুধু বাকি রয়েছে গানের দৃশ্যয়ন।

বাণিজ্যিক সিনেমা প্রসঙ্গে সোহানা সাবা বলেন, ‘চলচ্চিত্র মানেই চ্যালেঞ্জিং একটি বিষয়। বাণিজ্যিক সিনেমায় অভিনয় করাটা

বেশ চ্যালেঞ্জিং। এবার সেই চ্যালেঞ্জটা নিয়ে নিলাম।’ সাবা এতদিন বাণিজ্যিক ছবির প্রস্তাব যে পাননি তা নয়। তবে ইচ্ছা ছিল

না। তিনি বলেন, ‘বাণিজ্যিক সিনেমায় অভিনয় করার প্রস্তাব অনেক পেয়েছি। কিন্তু আমার কেন যেন মনে হয়েছিল আরও

ভালো গল্পের জন্য অপেক্ষা করা উচিত। সাইফ চন্দনের ‘আব্বাস ওটু’ সিনেমায় আমার যে চরিত্রটা সেটা বেশ ভালো লেগেছে।

ছবিটিতে আব্বাস চরিত্রে থাকছেন নিরব এবং চুটকি চরিত্রে রূপদান করেছি আমি। এবারই প্রথম দশর্ক পদার্য় আমাদের

কেমিস্ট্রি দেখবেন।’ অনেকেই মনে করেন সোহানা সাবা খোলামেলা কথা বলতে যেমন পছন্দ করেন তেমনি খোলামেলা

পোশাকও তার পছন্দ। খোলামেলা সোহানা সাবা তার সকল ব্যস্ততা।

সাংবাদিকদের প্রচলিত ধারার প্রশ্ন তার মোটেই পছন্দ নয়। কেমন আছেন? এই সময়ে কি কি কাজ করছেন?

আপনার কোন রং পছন্দ এই ধরনের  গৎবঁাধা প্রশ্নের উত্তর দিতে তিনি মোটেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। বরং প্রেম,

শরীরিবিষয়ক প্রশ্নের জবাব দিতে তার ভালো লাগে। খোলামেলা কথা প্রসঙ্গে সাবা বলেন, ‘জানি যুগের বদল হয়েছে। আমাদের

সেলিব্রেটিরা টেলিভিশন মাধ্যমেও এখন অনেক সাহসী কথা বলতে শিখেছেন। যেসব কথা পরিবারের সদস্যরা সবাই মিলে

শোনাও বিব্রতকর। যেমন বিয়ে বিষয়টা অনেকের কাছে ছেলে খেলার মতো। একজন তারকা সাধারণ মানুষের কাছে আইডলে

পরিণত হন। ধরা যাক, সোহানা সাবার কথা অনুযায়ী মেয়েরা বিয়ে ব্যাপারটাকে ছেলেখেলা ভাবতে শুরু করল।

তখন আমাদের ভবিষ্যৎটা কেমন হবে! ওহ! মাই গড, ভাবতে পারছি না।’

সোহানা সাবা মূলত বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকে নাচ এবং ছায়ানট থেকে গান শিখে অভিনয়ে আসেন। প্রথম চিত্রনায়িকা

কবরীর পরিচালনায় ‘আয়না’। এরপর ‘খেলাঘর’, ‘চন্দ্রগ্রহণ’, ‘প্রিয়তমেষু’, ‘বৃহন্নলা’র মতো মানসম্মত ছবিতে অভিনয়

করেছেন। খোলামেলা সোহানা সাবা তার সকল ব্যস্ততা।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *