লতিফ খসরুর ভিন্ন রকম ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি

লতিফ খসরুর ভিন্ন রকম ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি

কখনো বাড়িতে বাড়িতে, কখনো খেয়াঘাটে, কখনো বা বাড়ির আঙিনায় হাসিমুখে পাঠকদের হাতে তুলে দিচ্ছেন নতুন বই।

ফেরত নিচ্ছেন পড়ে শেষ করা পুরোনো বইটিও। কোনো জামানত নেই, চাঁদা নেই। এমনকি সদস্যও হতে হয় না তার

গ্রন্থাগারের। জ্ঞানের মশাল হাতে কাউখালী উপজেলার জ্ঞানপিপাসু ছাত্র ও পাঠকদের কাছে বই পৌঁছে দিতে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি

শুরু করছেন আব্দুল সোবহান স্মৃতি পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল লতিফ খসরু।

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় কেউন্দিয়া গ্রামে জন্ম আব্দুল লতিফ খসরুর।

বয়স ৬০ বছরেরও বেশি। প্রায় ১৫ বছর ধরে বইয়ের ফেরিওয়ালা হয়ে ঘুরেবেড়াচ্ছেন। বই বিলিয়ে দিচ্ছেন সবার মাঝে। সব

বয়সের সব পাঠকই তার তালিকায় রয়েছে। সবার হাতেই তুলে দিতে চানপছন্দের বইটি। ব্যক্তিগত উদ্যোগেই অর্ধ শতাধিক বই

এবং ৪টি জাতীয় পত্রিকা নিয়ে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির যাত্রা শুরু করেন।খসরু জানান, উপজেলা আমরাজুড়ি গ্রামের এবং

কাউখালী উপজেলা কচুয়াকাঠি গ্রামের শিক্ষার্থীদের পাঠ অভ্যাস গড়ে তোলারলক্ষ্যে এ কার্যক্রম শুরু করেন। পর্যায়ক্রমে এই

কার্যক্রম নিয়ে যেতে চান কাউখালী উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের শিক্ষার্থীদেরকাছে। আব্দুল লতিফ খসরু বলেন, “পাঠাগারে

এখন পাঠকরা আসেন না। পাঠকদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহও নেই বললেইচলে। এই সব চিন্তা করেই পাঠকদের বই পড়ার

আগ্রহ সৃষ্টি বা পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে ভ্রাম্যমাণ পাঠাগারের কার্যক্রম শুরুকরি।

” খসরু আরো জানান, পাঠাগার থেকে কিংবা তার বিলানো বই নিতে পারেন যে কেউ।

এজন্য কোনো চাঁদা বাজামানতের প্রয়োজন হয় না।” ভাষার মাসের শুরু থেকেই প্রতিদিন কাউখালী উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের

শিক্ষার্থীদের বাড়িগিয়ে বই পৌঁছে দিচ্ছেন আব্দুল লতিফ। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে এই কাজে আরো বেশি সময় দিচ্ছেন। সকাল

থেকেই শুরু করেন বইপৌঁছে দেওয়ার কাজ। কোনো কিছু পাওয়ার আশা থেকে নয়, বরং গ্রামের মানুষকে খারাপ কাজ থেকে

বিরত রেখে বই পড়ারআনন্দ বিলিয়ে দেওয়ার জন্যই তার এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন খসরু। কখনো বাড়িতে বাড়িতে,

কখনো খেয়াঘাটে, কখনোবা বাড়ির আঙিনায় হাসিমুখে পাঠকদের হাতে তুলে দিচ্ছেন নতুন বই। ফেরত নিচ্ছেন পড়ে শেষ করা

পুরোনো বইটিও। কোনোজামানত নেই, চাঁদা নেই।

এমনকি সদস্যও হতে হয় না তার গ্রন্থাগারের।

জ্ঞানের মশাল হাতে কাউখালী উপজেলার জ্ঞানপিপাসুছাত্র ও পাঠকদের কাছে বই পৌঁছে দিতে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি শুরু করছেন

আব্দুল সোবহান স্মৃতি পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুললতিফ খসরু। পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় কেউন্দিয়া গ্রামে জন্ম

আব্দুল লতিফ খসরুর। বয়স ৬০ বছরেরও বেশি।প্রায় ১৫ বছর ধরে বইয়ের ফেরিওয়ালা হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। বই বিলিয়ে

দিচ্ছেন সবার মাঝে। সব বয়সের সব পাঠকই তারতালিকায় রয়েছে। সবার হাতেই তুলে দিতে চান পছন্দের বইটি। ব্যক্তিগত

উদ্যোগেই অর্ধ শতাধিক বই এবং ৪টি জাতীয় পত্রিকানিয়ে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির যাত্রা শুরু করেন। খসরু জানান, উপজেলা

আমরাজুড়ি গ্রামের এবং কাউখালী উপজেলা কচুয়াকাঠিগ্রামের শিক্ষার্থীদের পাঠ অভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ কার্যক্রম শুরু

করেন। পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম নিয়ে যেতে চানকাউখালী উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের শিক্ষার্থীদের কাছে।

আব্দুল লতিফ খসরু বলেন, “পাঠাগারে এখন পাঠকরা আসেন না।

পাঠকদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহও নেই বললেই চলে। এই সব চিন্তা করেই পাঠকদের বই পড়ার আগ্রহ সৃষ্টি বা পাঠাভ্যাস

গড়ে তুলতে ভ্রাম্যমাণ পাঠাগারের কার্যক্রম শুরু করি।” খসরু আরো জানান, পাঠাগার থেকে কিংবা তার বিলানো বই নিতে

পারেন যে কেউ। এজন্য কোনো চাঁদা বা জামানতের প্রয়োজন হয় না।” ভাষার মাসের শুরু থেকেই প্রতিদিন কাউখালী

উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের বাড়ি গিয়ে বই পৌঁছে দিচ্ছেন আব্দুল লতিফ। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে এই কাজে আরো বেশি

সময় দিচ্ছেন। সকাল থেকেই শুরু করেন বই পৌঁছে দেওয়ার কাজ।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *