৯ জানুয়ারি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই স্থগিত

৯ জানুয়ারি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম স্থগিত করেছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। একই সঙ্গে

জামুকার সুপারিশ ছাড়া যাঁদের নাম বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ‘বেসামরিক গেজেটে’ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তাঁদের নাম সংশোধন করে

নতুন করে ৩৮ হাজার ৩৮৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রকাশ করেছে। এবারের ওয়েবসাইটে যে তালিকা প্রকাশ করা

হয়েছে, সেই গেজেটগুলো জামুকার সুপারিশ ছাড়া প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় বলছে, মুক্তিযোদ্ধাদের সরাসরি ডেকে যাচাই–বাছাইয়ের আগে মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃত অন্য কোনো

প্রমাণকেও তাঁদের নাম নেই, সে বিষয়ে এবার নিশ্চিত হয়ে নিতে চায় মন্ত্রণালয়। তাই সময় বাড়িয়ে নিজেরা যাচাই করছে। পরে

মুক্তিযোদ্ধাদের সরাসরি যাচাইয়ের তারিখ ঘোষণা করা হবে। সূত্র জানায়, তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেছে, ভারতীয় তালিকা

বা লাল মুক্তিবার্তায় নাম আছে, এমন অনেক মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে ওই যাচাই-বাছাইয়ের তালিকায়। তাঁদের সনদ কেন

আবার যাচাই-বাছাই হবে, তা জানতে চেয়ে মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছেন কেউ কেউ।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক প্রথম আলোকে বলেন, এর আগে যাচাই–বাছাইয়ের জন্য ৩৯ হাজার ৯৬১ জন মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রকাশ করা হয়।

মন্ত্রণালয় স্বীকৃত ৩৩ ধরনের প্রমাণক যেমন ভারতীয় তালিকা বা লাল মুক্তিবার্তা বা বিসিএস গেজেট বা বিভিন্ন

বাহিনী বা অন্যান্য গেজেটে নাম থাকার পরও অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম ৮ ডিসেম্বর প্রকাশিত তালিকায় রয়েছে বলে

অভিযোগ উঠেছে। তাই ৯ জানুয়ারি যাচাই–বাছাইয়ের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। তবে এবার ৩৯ হাজার ৯৬১ জন

মুক্তিযোদ্ধার বদলে ৩৮ হাজার ৩৮৬ জনের তালিকা যাচাই–বাছাই করা হবে। অর্থাৎ ১ হাজার ৫৯৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার

নাম এই তালিকা থেকে কমে গেছে। মঙ্গলবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের

এসব বিষয় জানিয়ে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, জামুকা আইন

মেনে প্রকাশিত বেসামরিক গেজেট জামুকার সুপারিশহীনভাবে প্রকাশিত হয়েছে, এটা নিশ্চিত হতে হবে। জামুকা আইন ২০০২

সালে হলেও ২০১০ সালের আগে জামুকা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ওই সময়কালে প্রকাশিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট জামুকার

সুপারিশবিহীন বিবেচনা করতে হবে। প্রকাশিত সংশোধিত তালিকায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামের বিপরীতে ৩৩ ধরনের

প্রমাণকে নাম আছে কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে। ওই ৩৩ ধরনের প্রমাণকের এক বা একাধিক প্রমাণকে যদি কারও নাম থাকে,

সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম বাছাইয়ের তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।

জামুকার সুপারিশবিহীন বেসামরিক গেজেট নিয়মিত করার জন্য যাচাই–বাছাইয়ের জন্য সংশোধিত তালিকায় প্রকাশযোগ্য হলেও কোন কারণে কারও নাম অন্তর্ভুক্ত হলে সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

জামুকার সুপারিশবিহীনভাবে প্রকাশিত বেসামরিক

গেজেট ওই আইনের ধারা ৭(ক) অনুযায়ী নিয়মিত করার জন্য যাচাই–বাছাইয়ের জন্য পরবর্তীকালে তালিকা চূড়ান্ত করতে

হবে। ২০ জানুয়ারির এসব তথ্য জেনে জামুকায় প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে। জামুকার ৭১তম সভায় জামুকার অনুমোদন

ছাড়া যেসব বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম বেসামরিক গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে, তা যাচাই–বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত হয়। প্রথমে ৩১

ডিসেম্বরের মধ্যে যাচাইয়ের কাজটি শেষ করতে চেয়েছিল জামুকা। পরে ৯ জানুয়ারি যাচাই–বাছাইয়ের তারিখ চূড়ান্ত করা

হয়েছে। সে সিদ্ধান্ত থেকেও সরে এল মন্ত্রণালয়। যাচাই-বাছাই করতে উপজেলা বা মহানগর পর্যায়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে

কমিটি গঠন করা হবে। উপজেলা কমিটির সভাপতি হবেন সংশ্লিষ্ট উপজেলায় যুদ্ধকালীন কমান্ডার বা ভারতীয় তালিকা বা

লাল মুক্তিবার্তায় নাম থাকা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, যাঁকে জামুকার চেয়ারম্যান মনোনীত করবেন। কমিটির সদস্য হবেন

সংশ্লিষ্ট উপজেলার যুদ্ধকালীন কমান্ডার বা ভারতীয় তালিকা বা লাল মুক্তিবার্তায় অন্তর্ভুক্ত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, যাঁকে

স্থানীয় সাংসদ মনোনীত করবেন।

আরেকজন সদস্য হবেন সংশ্লিষ্ট উপজেলায় যুদ্ধকালীন কমান্ডার বা ভারতীয় তালিকা বা লাল মুক্তিবার্তায় অন্তর্ভুক্ত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, যাঁকে জেলা প্রশাসক মনোনীত করবেন।

কমিটির সদস্যসচিব হবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি ছুটিতে থাকলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দায়িত্ব পালন করবেন।

একইভাবে মহানগর কমিটির সভাপতি হবেন সংশ্লিষ্ট মহানগর এলাকায় যুদ্ধকালীন কমান্ডার বা ভারতীয় তালিকা বা লাল

মুক্তিবার্তায় অন্তর্ভুক্তএকজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, যাঁকে মনোনয়ন দেবেন জামুকার চেয়ারম্যান। সদস্য হবেন দুজন বীর মুক্তিযোদ্ধা

এবং সদস্যসচিবহবেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক। কার্যালয় এবং মহানগর পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাচাই-বাছাই

কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। যাচাই-বাছাইয়ের আওতাভুক্ত তালিকা এবং এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের

ওয়েবসাইট এবং জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। বিজ্ঞাপন মঙ্গলবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়

থেকে সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের এসব বিষয় জানিয়ে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) থেকে চিঠি

পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, জামুকা আইন মেনে প্রকাশিত বেসামরিক গেজেট জামুকার সুপারিশহীনভাবে প্রকাশিত

হয়েছে, এটা নিশ্চিত হতে হবে। জামুকা আইন ২০০২ সালে হলেও ২০১০ সালের আগে জামুকা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ওই সময়কালে

প্রকাশিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট জামুকার সুপারিশবিহীন বিবেচনা করতে হবে। প্রকাশিত সংশোধিত তালিকায় বীর

মুক্তিযোদ্ধাদের নামের বিপরীতে ৩৩ ধরনের প্রমাণকে নাম আছে কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে। ওই ৩৩ ধরনের প্রমাণকের এক

বা একাধিকপ্রমাণকে যদি কারও নাম থাকে, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম বাছাইয়ের তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।

জামুকারসুপারিশবিহীন বেসামরিক গেজেট নিয়মিত করার জন্য যাচাই–বাছাইয়ের জন্য সংশোধিত তালিকায় প্রকাশযোগ্য হলেও কোন কারণে কারও নাম অন্তর্ভুক্ত হলে সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

জামুকার সুপারিশবিহীনভাবে প্রকাশিত বেসামরিক গেজেট ওই আইনের ধারা ৭(ক) অনুযায়ী নিয়মিত করার জন্য যাচাই–

বাছাইয়ের জন্য পরবর্তীকালে তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে। ২০ জানুয়ারির এসব তথ্য জেনে জামুকায় প্রতিবেদন পাঠাতে বলা

হয়েছে। মন্ত্রণালয় স্বীকৃত ৩৩ ধরনের প্রমাণক যেমন ভারতীয় তালিকা বা লাল মুক্তিবার্তা বা বিসিএস গেজেট বা বিভিন্ন

বাহিনী বা অন্যান্য গেজেটে নাম থাকার পরও অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম ৮ ডিসেম্বর প্রকাশিত তালিকায় রয়েছে বলে

অভিযোগ উঠেছে। তাই ৯ জানুয়ারি যাচাই–বাছাইয়ের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। আ ক ম মোজাম্মেল হক,

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জামুকার ৭১তম সভায় জামুকার অনুমোদন ছাড়া যেসব বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম বেসামরিক গেজেটে

প্রকাশিত হয়েছে, তা যাচাই–বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত হয়। প্রথমে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যাচাইয়ের কাজটি শেষ করতে চেয়েছিল

জামুকা। পরে ৯ জানুয়ারি যাচাই–বাছাইয়ের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে। সে সিদ্ধান্ত থেকেও সরে এল মন্ত্রণালয়। যাচাই-বাছাই

করতে উপজেলা বা মহানগর পর্যায়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হবে। উপজেলা কমিটির সভাপতি হবেন

সংশ্লিষ্ট উপজেলায়যুদ্ধকালীন কমান্ডার বা ভারতীয় তালিকা বা লাল মুক্তিবার্তায় নাম থাকা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, যাঁকে

জামুকার চেয়ারম্যানমনোনীত করবেন।

কমিটির সদস্য হবেন সংশ্লিষ্ট উপজেলার যুদ্ধকালীন কমান্ডার বা ভারতীয় তালিকা বা লাল মুক্তিবার্তায় অন্তর্ভুক্ত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, যাঁকে স্থানীয় সাংসদ মনোনীত করবেন।

আরেকজন সদস্য হবেন সংশ্লিষ্ট উপজেলায় যুদ্ধকালীন কমান্ডার বা ভারতীয় তালিকা বা লাল মুক্তিবার্তায় অন্তর্ভুক্ত একজন

বীর মুক্তিযোদ্ধা, যাঁকে জেলা প্রশাসক মনোনীত করবেন। কমিটির সদস্যসচিব হবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি ছুটিতে

থাকলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দায়িত্ব পালন করবেন। একইভাবে মহানগর কমিটির সভাপতি হবেন সংশ্লিষ্ট মহানগর

এলাকায় যুদ্ধকালীন কমান্ডার বা ভারতীয় তালিকা বা লাল মুক্তিবার্তায় অন্তর্ভুক্ত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, যাঁকে মনোনয়ন

দেবেন জামুকার চেয়ারম্যান। সদস্য হবেন দুজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সদস্যসচিব হবেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক। কার্যালয়

এবং মহানগর পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।

News Reporter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *